Skip to main content

Posts

 পাসপোর্ট কিভাবে অনলাইনে চেক করবেন? জেনে নিন সহজ নিয়ম বর্তমান সময়ে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পর অফিসে বারবার গিয়ে খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বাংলাদেশি নাগরিকরা ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের e-Passport আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে পারেন। অনলাইনে পাসপোর্টের স্ট্যাটাস চেক করার পদ্ধতিটি খুবই সহজ এবং এর জন্য শুধু কয়েকটি তথ্য প্রয়োজন হয়। অনেকেই পাসপোর্টের আবেদন করার পর চিন্তায় থাকেন—আবেদনটি গ্রহণ হয়েছে কি না, বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে কি না, পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়েছে কি না অথবা পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত হয়েছে কি না। এসব তথ্য জানতে অনলাইনে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করা যায়। এই নিবন্ধে বাংলাদেশি e-Passport-এর অনলাইন স্ট্যাটাস কীভাবে চেক করবেন, কী কী তথ্য লাগবে, স্ট্যাটাসের বিভিন্ন ধাপের অর্থ কী এবং সমস্যা হলে কী করবেন—এসব বিষয় সহজভাবে তুলে ধরা হলো। অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করার সুবিধা অনলাইনে পাসপোর্টের স্ট্যাটাস চেক করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচে। আবেদনকারী নিজের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করে যেকোনো জায়গা থেকে আবেদনের অগ্রগতি দেখতে পারেন। বিশ...
জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে? জানুন জ্যোতিষশাস্ত্র ও বাস্তবতার দৃষ্টিতে বিবাহ মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। জীবনের একটি পর্যায়ে এসে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—“আমার বিয়ে কবে হবে?”, “জন্ম তারিখ অনুযায়ী কি বিয়ের সময় নির্ধারণ করা যায়?” কিংবা “আমার বিয়েতে দেরি হওয়ার কারণ কী?”। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা এবং তাদের পরিবার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গী, বিবাহের সময় ও দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকেন। জন্ম তারিখ ব্যবহার করে বিবাহের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার প্রচলন রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্র, সংখ্যাতত্ত্ব ও বিভিন্ন ধরনের ভাগ্য গণনায়। তবে এসব পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। তাই জন্ম তারিখের ভিত্তিতে বিবাহের সম্ভাব্য সময় নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে বিশ্বাস ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। জন্ম তারিখ দিয়ে কি সত্যিই বিয়ের সময় জানা যায়? জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, একজন মানুষের জন্মতারিখ, জন্মসময় এবং জন্মস্থান ব্যবহার করে জন্মকুণ্ডলী তৈরি করা হয়। এরপর গ্রহের অবস্থান, রাশি, লগ্ন, সপ্তম ঘর এবং অন্যান্য জ্যোতিষীয় বিষয় বিশ্লেষণ করে বিবাহের সম...

শিক্ষিত যুব সমাজ দেশ ও জাতির সম্পদ ।

 শিক্ষিত যুবসমাজ: দেশ জাতির সম্পদ | ভূমিকা একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার প্রাকৃতিক সম্পদে নয়, বরং তার শিক্ষিত, দক্ষ ও সচেতন জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিহিত। আর সেই জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে প্রাণবন্ত অংশ হলো যুবসমাজ। আজকের যুবকই আগামী দিনের নেতৃত্ব, উদ্ভাবক, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারক। তাই বলা হয়, "শিক্ষিত যুবসমাজই জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ।" বাংলাদেশ বর্তমানে একটি সম্ভাবনাময় তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শুধু শিক্ষিত হলেই চলবে না, হতে হবে নৈতিক, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও মানবিক। শিক্ষিত যুবসমাজ যদি নিজেদের মেধা, শ্রম ও সততার মাধ্যমে দেশ গঠনে এগিয়ে আসে, তবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। শিক্ষিত যুবসমাজ কেন জাতির সম্পদ যুবসমাজ হলো একটি দেশের চালিকাশক্তি। তারা উদ্যমী, কর্মক্ষম এবং নতুন কিছু করার সাহস রাখে। শিক্ষা একজন মানুষকে শুধু জ্ঞানই দেয় না, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণও শেখায়। একজন শিক্ষিত যুবক সমাজের সমস্যা বুঝতে পারে, সমাধান খুঁজে বের করতে পারে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে পারে। তাই শিক্ষিত যুবসমাজ দেশ...

ডাকটিকিট সংরক্ষণ এর একটি পূর্ণাঙ্গ বাংলা গাইড

  ডাকটিকিট সংরক্ষণ এর একটি পূর্ণাঙ্গ বাংলা গাইড ডাকটিকিট (Postage Stamp) শুধু ডাক ব্যবস্থার একটি অংশ নয়, এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল্যবান সাক্ষী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিটে সেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ঐতিহাসিক ঘটনা, প্রাণী, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির প্রতিফলন দেখা যায়। তাই অনেকেই শখের বশে ডাকটিকিট সংগ্রহ করেন, যাকে ফিলাটেলি (Philately) বলা হয়। তবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে একটি মূল্যবান ডাকটিকিটও খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্রথমত, ডাকটিকিট কখনোই খালি হাতে বেশি স্পর্শ করা উচিত নয়। হাতের ঘাম বা তেলের কারণে কাগজের রং পরিবর্তন হতে পারে এবং আঠার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য সংগ্রাহকরা সাধারণত স্ট্যাম্প টং (Stamp Tongs) ব্যবহার করেন। দ্বিতীয়ত, ডাকটিকিট সংরক্ষণের জন্য বিশেষ স্ট্যাম্প অ্যালবাম বা স্টক বুক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণ খাতা বা আঠা দিয়ে লাগানো উচিত নয়। এতে ডাকটিকিটের গুণগত মান ও বাজারমূল্য কমে যেতে পারে। তৃতীয়ত, ডাকটিকিট সবসময় শুষ্ক ও ঠান্ডা পরিবেশে রাখতে হবে। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ছত্রাক সৃষ্টি করতে পারে, আবার স...

মেডিসিন এর অপব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা

  মেডিসিনের অপব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা   বর্তমান সময়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে বিভিন্ন রোগের কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু ওষুধের সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি এর অপব্যবহার একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন, অন্যের প্রেসক্রিপশন অনুসরণ, অ্যান্টিবায়োটিকের অসম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ, ব্যথানাশক ও ঘুমের ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার—এসবই ওষুধের অপব্যবহারের উদাহরণ। এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার শুধু রোগ নিরাময়ে ব্যর্থই করে না, বরং নতুন জটিলতা সৃষ্টি করে এবং কখনও কখনও জীবনহানির কারণও হতে পারে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বিশ্বব্যাপী অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের অন্যতম প্রধান কারণ। ফলে সাধারণ সংক্রমণও ভবিষ্যতে জটিল ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। একইভাবে স্টেরয়েড, ঘুমের ওষুধ, সেডেটিভ ও ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘদিন বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করলে কিডনি, লিভার, হৃদ্‌যন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ওষুধের প্রতি নির্ভরশীলতা বা আসক্তিও তৈরি হয়। শিশু, বয়স্ক,...

টেবিল তৈরির ক্লাস

দিবস/উৎসবের নাম আরবি তারিক বার ইংরেজি তারিক ঈশরা মিরাজ ২৭ রজব ১৪৪৫ মঙ্গলবার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ নিস্ফু সাবান ১৫ সাবান ১৪৪৫ রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ প্রথম রমজান ০১ রমজান ১৪৪৫ সোমবার ১১ মার্চ ২০২৪ ঈদুল ফিতর ০১ শওয়াল ১৪৪৫ বুধবার ১০ এপ্রিল ২০২৪ row5 col 1 row5 col 2 row5 col 3 row5 col 4 row6 col 1 row6 col 2 row6 col 3 row6 col 4 row7 col 1 row7 col 2 row7 col 3 row7 col 4

পেজ সূচিপত্র

আমরা যখন একটি ঔষধ খাই তখন ওষুধটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সিস্টেমে যায় এবং কাজ করে | ঔষধ শরীরে কিভাবে কাজ করে তা সহজ ভাষায় নিচে দেওয়া হল ঃ শোষণ বন্টন কাজ করার পদ্ধতি  বিপাক নির্গমন শোষণ ঃ ওষুধ খাওয়ার পর এটি পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্তে থেকে রক্তে শোচিত হয় । ইনজেকশন হলে সরাসরি বা দ্রুত রক্তে প্রবেশ করে। বন্টন ঃ রক্তের মাধ্যমে ওষুধ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ টিস্যুতে পৌঁছে যায় । যে অঙ্গ কাজ করার প্রয়োজন হয় সেখানে বেশি কার্যকর হয়। কাজ করার পদ্ধতি ঃ ঔষধ বিভিন্নভাবে কাজ করতে পারেন ।  যেমন - রিসেক্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিবর্তন করে এনজয় সক্রিয় বা ব্লক করে । ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস ধ্বংস করে বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করে ।  বিপাক ঃ বেশিরভাগ ওষুধ লিভারে ভেঙে যায় । এরপর শরীরের জন্য উপযুক্ত রূপে পরিবর্তিত হয়। নির্গমন ঃ ভাঙ্গা ওষুধ বা তার অবশিষ্ট প্রধানত কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায় । কিছু ওষুধ পিত্ত ,ম্‌ ঘাম ও শ্বাসের মাধ্যমে বের হতে পারে ।